I’m a working as a freelancer in and It is a great experience to work with a good client. I want to give you some tips here that help freelancer to find a good client in a freelance marketplace.
If any freelancer follows the tips that I described below it help them a lot to find a good client. I hope keeping these things in your mind will give you better experience.
1. Verified Payment Method:
The first and one of the most important things is to check if the client has a verified payment method. This will ensure his payments in hourly contracts, and increase surety in fixed price contracts.
If the client is new and doesn’t have a verified payment method, you may ask politely about what he is thinking to get his payment method verified. I have found some clients who are actually under process of getting his payment method verified.
2. The Country he lives in:
I found this a vital point for choosing a client. Choosing a client from a HIGHER ECONOMY country may be good for a lot of contractors. 
3. Rating/ Feedback he received: 
It’s always better to work with someone who already has experience working with other contractors and has received good (4 and above) feedback and ratings. This makes things easier.
4. Rating/ Feedback he gave:
I know most people don’t consider this. But for me, this is one of the most important things to consider when I choose a client.
You’ll find a lot of clients who often provides bad rating/ feedback to the contractors and often criticizes them. When you read both comments of client and contractor, you’ll see that the work was completed successfully without any problem and there was everything alright. But then also, client gave low rating just because he doesn’t want to praise his team member. I think this is a BOSS type attitude, rather than a TEAM LEADER attitude. And I ignore these types of clients mostly. They will often try to keep you in mental pressure and take advantage of your work without proper valuation.
5. Fees he pays to contractors:
This is another vital point I consider. When you try to apply for a new job, and see client’s previous records, you’ll see how much he pays to contractors. Some clients are there who pays $30 for a $300 job. I try to avoid them.
Finally, there is always exception. There are clients who are good but had some bad experiences with some bad contractors. You’ll understand that from their comments in feedback. I think they will respect you more than the new comers, since they know the pain of the bad contractors. So, if you are a good contractor, they’ll do everything to ensure you are happy with them.

A lot of newbies’ asked me that they complete their profile 100%. But not getting any job. They become so frustrated.

So I want to give some helpful tips for freelancer who are not getting job.

Day by day competitions are increasing rapidly in freelance market place. So it is hard for newbie to get a job. But following tips will be helpful to get job in marketplace.

1. Have patience and what you need to have is constant moving apply for jobs if you are fit for the job. Don’t get frustrated if you see no response from any of your applied jobs, you need to have your moral high and constant moving. (In freelancing this is must thing that a newbie must have.)

2. Try to reduce your hourly rate (as you are newbie) as you should give a reason to your employer to hire you and in case of newbie this is possible having your rate a bit low. Try to make a good relation first.
In addition, bidding with a lower rate does not always help.

3. Hide the scores that are below average and retake them and try to improve them. Try to pass couple of more tests with good average.

4. Try to write custom cover letter to every job you apply. This is most important thing which 80% contractors do not care for. Write in cover letter exactly that what your employer wants to see in. DO NOT copy and paste one sample cover letter to every job.

5. Don’t ever show you are needy of money and you need a job, never beg for the job. Always try to give your expertise that what you can do actually for your employer. Show your employer your skills, your experiences and most important what you can do for him/her.

You’ve probably heard your freelancer acquaintances boasting about lives of luxury, plenty of time off, the freedom to work when inspiration strikes and not before, no control-freak bosses, and dream projects of their choosing. Then again, other freelancers
may have told you about working all night to meet deadlines, stressing between projects, missing regular social contact, and chasing clients who resist paying their bills.
The experience of freelancing, for most people, lies somewhere between these scenarios. You’ll enjoy the chance to chill out in front of the TV during the day if you feel the need, yet you may have the occasional scare when you realize you don’t know how you’ll afford to eat next week. You will love the excitement of creating your own destiny; at the same time, there’ll be moments when you wish someone else could make the right decisions for you!
So, before you decide to trade in your day job, you need to be aware of the advantages and disadvantages of the solo worker life, as well as understand the all-important range of skills and attributes of the successful freelancer.

ফ্রিল্যান্সিং করে কাজ করার কথা আমরা অনেকেই শুনেছি কিন্তু সত্যি কথা হচ্ছে নতুন ফ্রিল্যান্সার হলে সফলতা পেতে কিছু সময় লাগে । কারণ, এসব সাইটে একটি কাজের জন্য অনেকেই বিড/আবেদন করেন। বায়ার শুধুমাত্র একজনকে নির্বাচিত করেন। এক্ষেত্রে নুতন ফ্রিল্যান্সারদের কাজ পেতে  বেশ কিছুদিন অপেক্ষা করতে হয়। অনেকে ধৈর্য হারিয়ে ফ্রিল্যান্সিং ছেরে দেন। (অবশ্য সঠিক গাইডলাইন ও  আন্তরিক প্রচেষ্টা থাকলে এসব সাইটেও সফল হওয়া সম্ভব) অনেকেই আবার মনে মনে ভাবেন ইস, যদি বিড ছাড়াই কাজ পাওয়া যেত !  হ্যাঁ, আজকে আপনাদের সামনে এমনই একটি মার্কেটপ্লেস সম্পর্কে বলব, যেখানে কাজ পেতে কোন বিড করতে হয় না। যে কোন মূহু্র্তে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করে  কাজ শুরু করে দিতে পারেন। উপরোন্ত, উক্ত সাইটে সাইন আপ করলেই পাবেন ১ ডলার। সাইটটির নাম, এটি অত্যন্ত নির্ভরযোগ্য একটি সাইট। বাংলাদেশের অনেকেই এ সাইটে সফলতার সাথে কাজ করে হাতে টাকা পেয়েছে। আমি ব্যক্তিগতভাবে এ সাইটে কাজ করছি। সাইটে আমার বেশকিছু ডলারও জমা হয়েছে।

সাইটের কাজগুলো ছোট ছোট ও খুবই সহজ। ডাটা এন্ট্রি টাইপের কাজ। খুবই অল্প সময়ে আপনি উপার্জন করতে পারেন ভাল পরিমান কিছু অর্থ, যা আপনাকে লক্ষ লক্ষ টাকা এনে দিতে না পারলেও যারা নুতন ফ্রিল্যান্সার, এখনও কম্পিউটারের বিভিন্ন কোর্সে পরিপূর্ণ দক্ষ হতে পারেননি, তারা অনলাইন আয়ের জগতে কিছুটা পদচারণা শুরু করতে পারেন । আর এখানে মোটামুটি পরিশ্রম করলেই আপনার সফলতার সম্ভাবনা ………


১. একটি কাজ মাত্র একবার করতে পারবেন, তবে প্রতিদিন পাবেন নতুন নতুন অনেক কাজ।

২. প্রতিটি কাজের সাথে দেয়া থাকবে নির্ধারিত সময়, যে সময়ের মধ্যেই আপনার কাজকে সমাপ্ত করতে হবে।

৩. প্রথমে ৫টি কাজ করে আপনার সফলতা যদি ৭৫% এর নিচে থাকে তবে আপনি ১-৩০ দিনের মধ্যে কাজ করতে পারবেন না।

৪. আয়ের পরিমান ৯ ডলার পূর্ন হলেই চেক, মানিবুকার্স, পেপাল এবং এলার্টপে এর মাধ্যমে টাকা তোলা যায়। এক্ষেত্রে গুগল এ্যাডসেন্সের মত আপনার ঠিকানাকে প্রথমে ভেরিফাই করা হবে একটি পিন নম্বর পাঠানোর এর মাধ্যমে। যা পরবর্তীতে সাইটে জমা দিতে হবে।

৫. টাকা উত্তোলনের সময় চেকের ক্ষেত্রে ৪.৫০ ডলার, পেপালের ক্ষেত্রে ৬%, মানিবুকার্স এবং এলার্টপে পদ্ধতিতে ৬.৫% ফি দিতে হয়।

৬. সাইটে যে কাজ করবে সে Worker এবং যে কাজ দিবে তাকে Employer হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়।

৭. সাইটে কাজ করতে প্রথমে আপনাকে রেজিষ্ট্রেশন করে করতে হবে। রেজিষ্ট্রেশনের জন্য ক্লিক করুন


১. লগইন করে সাইটে প্রবেশ করুন।

২. যদি আপনি নতুন ইউজার হন তবে নিউ বাটনে ক্লিক করে নতুনদের জন্য নির্ধারিত কাজগুলো ওপেন করুন।

৩. কাজের বিস্তারিত বর্ননা দেখতে নিচের কাজগুলো থেকে যেকোন একটি কাজে ক্লিক করুন।

৪. এখানে পূর্বে কত জন কাজটি নিয়েছে, কাজটি করতে কত সময় লাগবে, কাজটি সফলভাবে করতে পারলে কত পরিশোধ করা হবে, ইত্যাদি সম্পর্কে শুরুর দিকে বলা হয়েছে।

৫. কিভাবে কাজটি করতে হবে এ সম্পর্কে পুরো ব্যাখ্যা দেয়া হয়েছে “What is expected from workers?” অংশে। মূলত এখানে কাজের বিস্তারিত বর্ননা করা হয়েছে, যা ভালভাবে বুঝে কাজটি সমাপ্ত করতে পারব এরকম মনে হলে “I accept this job ” নিচের অপশনে ক্লিক এর মাধ্যমে কাজটি নেয়া যাবে। “I accept this job” এখানে ক্লিক করলে একটি ঘর পাওয়া যাবে যেখান কাজের সত্যতার প্রমান সাবমিট করতে হবে। আর এই সত্যতার প্রমান দিতে হবে Employer এর ইচ্ছে অনুযায়ী, যেটি সে জানিয়ে দিয়েছে “Required proof that task was finished?” এই অংশে। কাজটি করতে পারব না এমন মনে হলে Not interested in this job ক্লিক করে বের হয়ে আসুন।

কাজের ধরন:

১. Signup: এ কাজটি অত্যন্ত সহজ একটি কাজ। এখানে একটি সাইটের ঠিকানা দেয়া থাকবে সেখানে গিয়ে রেজিষ্ট্রেশন করতে হবে। ব্যাস কাজ শেষ, তবে আমাদের দেশে বেশিরভাগ শেয়ারিং আইপি ব্যবহৃত হয় বলে কাজটি সমাপ্ত করতে সমস্যা হতে পারে। আপনার আইপি দেখে নিন।

২. Twitter: টুইটারে যদি আপনার একটি একাউন্ট থাকে তবে আপনি এক্ষেত্রে কাজ করতে পারবেনহতে পারে আপনার টুইটার পেজে একটি রিভিউ লিখতে হবে পাশাপাশি তাদের একটি লিংকও রিভিউ এর মধ্যে দিতে হতে পারেতবে সবটাই নির্ভর করবে Employer এর চাহিদার ওপর।

৩. Blog/Website Owners: আপনার যদি একটি নিজস্ব ওয়েব সাইট থাকে এবং আপনি যদি নির্দিষ্ট বিষয়ের ওপর article লেখার জন্য যোগ্যতা সম্পন্ন হয়ে থাকেন তবে আপনি এ কাজটি খুব সহজেই করতে পারবেন। আর একটি ৫০ শব্দের আর্টিকেল লিখে পেতে পারেন $0.25 – $0.80 ডলার।

৪. Textlink required: এ কাজটি করতেও বেশিরভাগ ক্ষেত্রে নিজস্ব ওয়েব সাইট দরকার হয়ে থাকে। তবে কাজটি অত্যন্ত সহজ। Employer এর চাহিদা অনুযায়ী আপনার সাইটে একটি লিংক ব্যবহার করলেই কাজ শেষ। এক্ষেত্রে বেশিরভাগ Employer PR1 কিংবা তার ওপরে অবস্থানকৃত সাইট চায়। দেখে নিন আপনার সাইটের পেজ র‌্যাংক ক্লিক করুন

৫. Yahoo Answers: ইয়াহু এর একটি সাইট হচ্ছে ইয়াহু এ্যান্সার। এখানে বিভিন্ন প্রশ্নের এ্যান্সার করে লেভেলকে বৃদ্ধি করা যায়। সাধারনত Employer এ কাজের জন্য লেভেল টু আছে এমন ব্যক্তিদের খোঁজ করে। এখানে প্রশ্নের answer এর মধ্যে Employer এর নির্দিষ্ট লিংক দিতে বলা হয়।

৬. Forums: এক্ষেত্রে একটি ফোরাম সাইট খুঁজে বের করতে হবে। তবে সাইটের বিষয়বস্তু অবশ্যই Employer বলে দিবে। এই সাইটে রেজিষ্ট্রেশন করে তাদের একটি লিংক Signature হিসেবে ব্যবহার করতে হবে। পাশাপাশি কিছু কমেন্টও লিখতে হতে পারে।


১. একটি কম্পিউউটার থেকে একটি একাউন্ট করাটাই ভাল।

২. কখনো ৫টি কাজে সফলতার হার ৭৫% এর নিচে নেমে গেলে দু-চার দিন অপেক্ষা করে আবার চেষ্টা করা যেতে পারে।

৩. যে সকল কাজে আইপি এড্রেস দিতে হয় বা এক আইপি থেকে দুবার ব্যবহার করা যাবে না সে সব কাজ না করাই ভাল যেমন: sign up। কারন, আমাদের দেশে টেলিকম এর মাধ্যমে ব্যবহৃত ইন্টারনেট এর আইপি শেয়ারিং করা হয়ে থাকে।

উপরের সকল বিষয়গুলো ভালভাবে বিবেচনা করে যদি কাজ শুরু করেন তবে অবশ্যই একটা ভাল ফলাফল পাবেন ইনশাল্লাহ।

SEO হচ্ছে এমন একটি টেকনোলজি, যা ব্যবহার করে অনলাইনে ব্লগিং, ফ্রিল্যান্সিং, এফেলিয়েট মার্কেটিং ইত্যাদি মাধ্যমে উপার্জনের বহুমূখী দিগন্ত- উন্মোচিত হতে পারে।

SEO কি?
SEO এর পূর্ণরুপ হচ্ছে Search Engine Optimization।এটি এমন একটি পদ্ধতি যার মাধ্যমে কোন নির্দ্দিষ্ট কীওয়ার্ড/বিষয় দিয়ে সার্চ দিলে সার্চ ইঞ্জিনের রেজাল্টে উক্ত কীওয়ার্ড রিলেটেড তথ্য যেসব ওয়েব সাইটে রয়েছে তা প্রদর্শন করে। এর মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে, সার্চ রেজাল্টে অন্য সকল সাইটকে পেছনে ফেলে আপনার সাইটকে সার্চ ইঞ্জিনের প্রথম পেজে নিয়ে আসা, অথবা কমপক্ষে ২য় পেজের ১০ এর মধ্যে থাকা। মূলতঃ সার্চ ইঞ্জিনের ১ম বা ২য় পেজে আসতে পারলেই প্রচুর পরিমানে ভিজিটর সাইটে আনা সম্ভব হয়।
SEO এমন একটি টেকনোলজি, যা সঠিকভাবে রপ্ত করতে পারলে নুতন ওয়েব সাইটেও প্রচুর ভিজিটর আনয়ন সম্ভব।

উপার্জনের ক্ষেত্র
ব্লগিং এর মাধ্যমেঃ আমরা জানি ব্লগিং অনলাইনে আয়ের একটি দীর্ঘমেয়াদী ও ফলপ্রসু পদ্ধতি। Google Adsense, Affaliate Marketing,  প্রাইভেট এ্যাড, ই-বুক বিক্রয় ইত্যাদি বহুমূখী আয়ের সোর্স হতে পারে একটি ব্লগ সাইট।

Google Adsense
Google Adsense এর মাধ্যমে এর মাধ্যমে উপার্জনের পদ্ধতি সম্পর্কে ইতিমধ্যে আমরা অনেকেই অবগত হয়েছি। এর জন্য একটি ওয়েব সাইট তৈরি করে ৩০/৪০টি ইউনিক পোষ্ট দিলে Google Adsense এপ্রুভ হবে ইনশাল্লাহ। Google Adsense এপ্রুভ হওয়ার শর্তাবলী জানতে এখানে ক্লিক করুন। এপ্রুভ হল-কিন্তু ভিজিটর না আসলে উপার্জন হবে কিভাবে? এখানেই SEO এর ব্যবহার। SEO এর পূর্ণাঙ্গ ব্যবহারই এনে দিতে পারে ভিজিটর। আপনি প্রতিদিন ১০০০ ভিজিটর আনতে পারলে গড়ে প্রতিদিন একটি সাইট থেকে ১০ ডলার এর মত আর্ন হবে। একটি সাধারণ মানের সাইটেও প্রতিদিন ১/২ হাজার ভিজিটর আনা সম্ভব সঠিক SEO প্রয়োগের মাধ্যমে।

এফেলিয়েট মার্কেটিং
Google Adsense এর মত এর মত এটিও একটি সন্মানজনক আয়ের পদ্ধতি। এ পদ্ধতিতে অনলাইন পন্য বিক্রেতার সাইটের এফেলিয়েট লিংক আপনার সাইটে থাকবে। কোন ভিজিটর এ লিংক ধরে উক্ত সাইটে গিয়ে কোন পন্য ক্রয় করলে এর উপর আপনি পাবেন নির্দ্দিষ্ট কমিশন। এখানেও একই ফ্যাক্টর-ভিজিটর। অর্থাৎ, প্রচুর ভিজিটর ঢুকলে তার একটি অংশ উক্ত এফেলিয়েট লিংকে ক্লিক করবে এবং তার একটি অংশ পন্য ক্রয় করবে। প্রচুর ভিজিটর একমাত্র SEO এর মাধ্যমেই সম্ভব। কোন কোন ক্ষেত্রে এফেলিয়েট মার্কেটিং এর উপার্জন Google Adsense এর চেয়েও বেশি হয়ে থাকে। কারণ, একটি পন্য কেও ক্রয় করলে তার মূল্য যদি ১০০ ডলার হয়, তবে আপনি কমিশন পাবেন ২০ থেকে ৩০ এমনকি ৫০ ডলার পর্যন্ত-।

SEO এর অপরিসীম প্রয়োজনীতার কারনে ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটে এ বিষয়ক কাজের চাহিদা ব্যাপক। মূলতঃ ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটে যত ধরনের কাজ রয়েছে তন্মধ্যে ওয়েব ডিজাইনের পরই এর চাহিদা।  আজ ৮ই জুন-২০১১ ইং বিশ্বের সর্ববৃহৎ ফ্রিল্যান্সিং সাইট এ SEO এর ১৯৯৪টি কাজ রয়েছে। অন্য আর একটি সাইট এ রয়েছে  SEO-৬২৭টি, Link Building এ ৪১৯টি, ফোরাম পোষ্টিং এ ৪৭টি। অর্থাৎ, SEO এর অনপেজ অপটিমাইজেশন এবং অফপেজ অপটিমাইজেশন তথা Link Building, Forum Posting, Social Networking ইত্যাদি তে দক্ষ হলে আপনার জন্যই অনলাইন ভুবন। লক্ষ্য করলে দেখবেন-অন্যান্য কাজের তুলনায় SEO এর কাজের Competition কম এবং মোটামুটি ভাল বাজেটের কাজ।
এছারা, ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটে ওয়েব ডিজাইনের কাজ পেতেও SEO এর দক্ষতা প্রয়োজন। কারণ, অধিকাংশ বায়ার ওয়েব সাইট ডিজাইনের পাশাপাশি তার সাইটকে SEO করে নিতে চান।

নিজস্ব পন্য বিক্রয়ঃ
অনলাইন শপ বা ইকমার্স সাইট তৈরি করে নিজস্ব পন্য বিক্রয় করতে পারেন । এক্ষেত্রেও ভিজিটর ফ্যাক্টর। অর্থাৎ, SEO মাষ্ট।

উপরোক্ত ক্ষেত্র ছাড়াও আরো বহুবিধ উপার্জনের ক্ষেত্র আপনিও নিজেও তৈরি করতে পারেন একটি ভিজিটর সমৃদ্ধ ওয়েব সাইটের মাধ্যমে। যে কোন বিষয়ের ফ্রি সার্ভিস নিয়ে একটি ওয়েব সাইট তৈরি করলেন। পাশাপাশি এক্সক্লুসিভ কিছু সার্ভিস রাখলেন নির্দ্দিষ্ট চার্জের বিনিময়ে। মূলতঃ কাজ করতে করতে, নেটে প্রতিনিয়ত পর্যবেক্ষণ করলে এসব বিষয়ের আইডিয়া পেয়ে যাবেন। তবে সবকিছুর মূলে কিন্তু ভিজিটর। কোন বিষয়ে ভাল ভিজিটর বেশি আসে, ভিজিটর নিয়মিত হয়-এসব গাইড আপনাকে করবে SEO। অতএব, অনলাইনে আপনার একটি ভাল অবস্থানের জন্য SEO এর বিকল্প নেই।

বিখ্যাত সার্চ ইঞ্জিন Google এর একটি Advertising program। এর মাধ্যমে উপার্জনের জন্য একটি ওয়েব সাইট থাকতে হবে। ফ্রি ওয়েব সাইটের মাধ্যমেও Google Adsense ব্যবহার করে উপার্জন করা সম্ভব। Google Adsense যদিও বহুদিন পূর্ব থেকেই সমগ্র বিশ্বে একটি নির্ভরযোগ্য ও দীর্ঘমেয়াদী উপার্জনের পদ্ধতি হিসাবে স্বীকৃত, কিন্তু বাংলাদেশে বিষয়টি অনেকের কাছেই নুতন। প্রথমদিকে বিষয়টি নিয়ে বাংলাদেশের আইটি জগতে একটা হৈ চৈ পড়ে গিয়েছিল। টাকা উপার্জনের জন্য অনেকেই নিজস্ব ওয়েবসাইট কিনে অথবা ফ্রি ওয়েবসাইটের মাধ্যমেব্যবহার করেছে Adsense,

Google Adsense এর মূল প্রক্রিয়াটি সঠিকভাবে না বুঝার কারনে অনেকের Adsense একাউন্ট বন্ধ হয়ে গিয়েছে। কিন্তু যারা সঠিকভাবে ব্যবহার করতে পেরেছে তারা ঠিকই উপার্জন করছে।

মূল বিষয় হচ্ছে, Google Adsense এর মাধ্যমে যে কোন ধরনের ওয়েব সাইটের মাধ্যমে উপার্জন সম্ভব। শর্ত হচ্ছে, সাইটকে জনপ্রিয় করতে হবে। সাইটে প্রচুর ভিজিটর ঢুকতে হবে, ভাল contents থাকতে হবে। ভিজিটর একবার সাইটে প্রবেশ করে পুনরায় প্রবেশ করার আগ্রহ থাকে এ ধরনের contents প্রতিনিয়ত আপডেট রাখতে হবে। সাইটে ভিজিটর প্রবেশ করানো এবং তাদেরকে ধরে রাখতে পারলে ভিজিটরদের একটি অংশ স্বাভাবিকভাবেই Google এর বিজ্ঞাপনে ক্লিক করবে। মনে রাখতে হবে, যত বেশি ভিজিটর আপনার সাইটে থাকবে তত আপনার উপার্জনের পরিমান বৃদ্ধি পাবে। আমি হিসাব করে দেখেছি, প্রতিদিন গড়ে ১০০০ ভিজিটর সাইটে প্রবেশ করলে গড়ে ১০% ভিজিটর Google প্রদর্শিত বিজ্ঞাপনে ক্লিক করে। এতে গড়ে  প্রতিদিন ১০ ডলার উপার্জন হবে। অর্থাৎ মাসে ৩০০ ডলার বা ২০০০০ টাকা উপার্জন করা সম্ভব শুধুমাত্র একটি মানসন্মত ওয়েব সাইটের মাধ্যমে। একটি সাইট হতে এ ধরনের উপার্জন শুরু হয়ে গেলে ভিন্ন বিষয়ের উপর আরো সাইট আপনি তৈরি করতে পারবেন। অনলাইন উপার্জনের এক বিশাল দ্বার উন্মোচিত হবে আপনার জন্য। প্রয়োজন শুধু পরিশ্রম করার মানসিকতা। ভাবতে পারেন, ক্লিক করলেই যেহেতু ডলার তাহলে চিন্তা কি, সাইবার ক্যাফেতে গিয়ে শুধু ক্লিক আর ক্লিক………!

Google কি এতই বোকা! বিজ্ঞাপনদাতারা কি এতই বোকা! ক্লিক করলেই টাকা দিবে! না, Fake Click করলে Google তার একাউন্ট বন্ধ করে দিবে। Original ক্লিক করলেই শুধু ডলার জমবে। তাহলে Original ক্লিক কোনটি, যার মাধ্যমে ডলার পাওয়া যাবে? সে কথাই আসছি, যেহেতু সাইটের বিষয়বস্তুর সাথে মিল রেখে Google বিজ্ঞাপন প্রদর্শন করে, সেহেতু ভিজিটর যদি সাইটের contents দেখার পাশাপাশি Google Ad এ ক্লিক করে উক্ত বিজ্ঞাপনদাতার সাইটে স্বাভাবিকভাবে প্রবেশ করে (এক্ষেত্রে ভিজিটর কিন্তু fake ক্লিক করেনি, বড়ং তার নিজস্ব আগ্রহে উক্ত বিজ্ঞাপন দাতার সাইটে প্রবেশ করেছে) তবেই হবে Original ক্লিক। এ ধরনের স্বাভাবিক ক্লিক করলেই আপনার উপার্জন হবে। Google তার Adsense প্রোগ্রামের জন্য এমন টেকনোলজি ব্যবহার করেছে যে কেও fake ক্লিক করলে তা ধরে ফেলতে সক্ষম। অতএব, এ ধরনের অসাধু চিন্তা মাথা থেকে ঝেরে ফেলতে হবে। মনে রাখতে হবে, Google Adsense একটি দীর্ঘমেয়াদী ব্যবসা। এর পুঁজি হচ্ছে, আপনার ব্লগিং পরিকল্পনা ও সঠিকভাবে তার ব্যবহার। নগদ মূলধন বলতে শুধুমাত্র একটি পিসি আর ডোমেইন/হোস্টিং এর জন্য মাত্র ২/৩ হাজার টাকা। সঠিকভাবে ব্লগিং করতে পারলে, পর্যাপ্ত ভিজিটর সাইটে প্রবেশ করাতে পারলে মাসে হাজার ডলার উপার্জন করা সম্ভব-এটা কল্পনা নয়, বাস্তব।

পরিশ্রম করে একটা ভালমানের ব্লগ সাইট তৈরি করতে পারলে আর ভিজিটর বাড়ানোর সব কৌশল প্রয়োগ করতে পারলে আপনাকে পেছনে ফিরে তাকাতে হবে না। আপনি ঘুমিয়ে থাকবেন আর আপনার একাউন্টে ডলার জমতে থাকবে। সত্যি অভাবনীয়!

যারা Google Adsense ব্যবহার করে দীর্ঘমেয়াদী উপার্জন করতে চান তাদের জন্য নিচে কতিপয় গাইডলাইন প্রদত্ত হল।

১. যে ধরনের ব্লগিং সাইট করতে চান, তা ভেবে চিন্তে নির্বাচন করুন। অর্থাৎ যেসব সাইটে ভিজিটর বেশি প্রবেশ করে সে ধরনের সাইট তৈরি করুন। ব্লগিং সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন। এছারা, ব্লগিং সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে আমাদের প্রকাশিত ইন্টারনেটে আয়ের পূর্ণাঙ্গ ভিডিও লার্নিং’সংগ্রহ করতে পারেন।

২.সাধারণত শিক্ষামূলক (কম্পিউটারের বিভিন্ন বিষয়সহ অন্যান্য শিক্ষা), সাধারণ জ্ঞান, খেলাধুলা, স্বাস্থ্য সম্পর্কিত, ফিটনেস টিপস্‌, ইত্যাদি বিষয়ের সাইটে ভিজিটর বেশি হয়ে থাকে। এ ধরনের ভালমানের সাইটকে ফলো করে আপনিও অনুরুপ ব্লগিং সাইট তৈরি করতে পারেন।

৩. প্রথমেই টাকা উপার্জনের চিন্তা মাথায় না এনে যথেষ্ট সময় নিয়ে সাইটকে সমৃদ্ধ করতে চেষ্টা করুন।

৪. কখনোই কোন সাইটের contents কপি করে আপনার সাইটে পোস্ট করবেন না। অবশ্য ভাল কোন ব্লগিং সাইটকে অনুকরণ করে নুতন আর্টিক্যাল, টিউটোরিয়াল, টিপস্‌, ইত্যাদি পোস্ট করতে পারেন।

৫. সাইট পরিপূর্ণভাবে তৈরি হলে ভিজিটর বাড়ানোর জন্য মনোযোগী হোন। এক্ষেত্রে Seo এর প্রাথমিক বিষয়গুলো প্রয়োগ করুন। ( ব্যাকলিংক তৈরি, ফোরামে পোস্ট, বুকমার্কিং ইত্যাদি)

৬. সবশেষে Google Adsense এর জন্য apply করুন।

সবাইকে সালাম ও শুভেচ্ছা জানিয়ে শুরু করতে যাচ্ছি আজকের ফ্রিল্যান্সিং পোষ্ট। আজকের পোষ্টে আমি আপনাদেরকে প্রোফাইল তৈরি সম্পর্কিত আরো কিছু তথ্য দেওয়ার চেষ্টা করবো। প্রোফাইল তৈরিকরণের আজকের পোষ্টে আমরা “My Public Profile” অংশ সুন্দর করার জন্য কিছু টিপস জানবো।

“MY Public Profile” হলো সেই অংশ যা আপনার প্রোফাইলে সবচেয়ে বেশী প্রভাব ফেলবে। তাই এই অংশটি অত্যন্ত বেশী যত্নসহকারে লিখবেন। আমার মতে কাজ পাওয়ার ৭৫% এই অংশের উপর নির্ভর করে। তাই এই অংশকে আপনি কোনভাবেই এড়িয়ে যেতে পারবেন না।

তাহলে শুরু করা যাক এই অংশের সমৃদ্ধকরণ। আপনার প্রোফাইলে ঢুকে Edit Profile এ ক্লিক করে “My Public Profile” এই অংশের “Edit” বাটনে ক্লিক করুন। ভিতরে ঢুকলে প্রথমেই দেখতে পাবেন- “Profile Access” এটা “Public” সেট করে দিবেন।

তারপর পাবেন- “Display Name”। এটা আপনার পছন্দমত দিয়ে দিবেন। এতে কোনো সমস্যা হবে না।

Display Name এর ঠিক নিচে পাবেন- “Primary Role”। এখানে আপনার কাজের ধরণ দিবেন। অর্থাৎ, আপনি কোন ধরনের কাজ করবেন তা দিবেন। উদাহরণস্বরূপ- আপনি যদি ডাটা এন্ট্রি টাইপের কাজ করেন, তাহলে ডাটা এন্ট্রি দিবেন। আপনি যদি এস.ই.ও বা গ্রাফিক্স ডিজাইনের কাজ করেন তাহলে Website/Graphic Designer দিয়ে দিবেন।

এরপর পাবেন- Title। টাইটেলে আপনার কাজের টাইটেল দিবেন। এখানে আপনার কাজের টাইটেল স্পেসিফাই করে দিবেন। আরেকটা কথা, প্রথম অবস্থায় আপনার টাইটেলে বেশী বিষয় দিবেন না। শুধু মাত্র দুই/একটা বিষয়ের নাম দিয়ে দিবেন। আপনি যে যে বিষয় খুব ভালভাবে জানেন শুধু তাই টাইটেলে দিবেন। শুধু শুধু, কাজ করবেন একটা বিষয়ের উপর আর টাইটেলে দিয়ে দিলেন আরেকটা বিষয়, এরকম করবেন না। আপনার টাইটেলকে আপনার কাজের সাথে মিল রেখে দিবেন। প্রোফাইল সমৃদ্ধকরণ শেষ হয়ে গেলে, আপনার টাইটেলের সাথে মিল রেখেই কাজে বিড করবেন। নতুবা, কাজ পাওয়ার সম্ভাবনা কমে যাবে।

টাইটেল লিখা শেষ হয়ে গেলে পাবেন- “Year of Experience”। এখানে আপনি যে বিষয়ে কাজ করবেন ঐ বিষয়ে আগের কাজের অভিজ্ঞতা নির্ধারণ করে দিবেন। অর্থাৎ আপনার প্রোফাইল টাইটেলে যে কাজের বা বিষয়ের নাম দিয়েছেন, ঐ বিষয়ে আপনার কত বছরের কাজের অভিজ্ঞতা আছে তা লিখবেন। আপনারা যারা বিভিন্ন কাজের সার্কুলার দেখেছেন, তারা হয়তো একটা জিনিস খেয়াল করে দেখবেন, ঐ সার্কুলারে পূর্বের কাজের অভিজ্ঞতা চায়। ওডেস্কের ক্ষেত্রেও একইরূপ। এখানে অবশ্যই আপনি সত্য কথাটা বলবেন।

তারপর আসবে English Skill. এখানে আপনি আপনার ইংরেজী ভাষাতে দক্ষতা কতটুকু তা লিখবেন।

এরপরই পাবেন Objective. এটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। একজন বায়ার আপনার প্রোফাইলের বাকী সব অংশ না দেখলেও এই অংশটা একবার অন্তত দেখবে। তাই এই অংশের প্রতি খুব বেশীই খেয়াল রাখতে হবে। আরেকটা কথা, বায়ার যখন কাউকে হায়ার করে তখন কিন্তু তাদের হাতে খুব বেশি সময় থাকে না। তাই এই অংশ লিখার সময় আপনি এমনভাবে লিখবেন যাতে আপনার কথার প্রথম দুই/এক লাইন পড়ামাত্রই বায়ার আপনার অভিজ্ঞতা সম্পর্কে ধারণা পেয়ে যায়। এইখানে আপনার কাজের বর্ণনা লিখবেন। লেখায় এ কথা প্রমান করতে চাইবেন যে, আপনি খুব সৎ এবং পরিশ্রমী লোক। এছাড়াও আপনার কিছু পূর্বের কাজের লিংক দিয়ে দিবেন।

ওডেস্কে প্রোফাইল তৈরীসহ আরো ফ্রিল্যান্সিং টিউটোরিয়ালের জন্য  ফ্রিল্যান্সিং সম্পর্কিত আল-হেরার আপডেট ভিডিও টিউটোরিয়ালগুলো সংগ্রহ করতে পারেন। এখানে সবকিছুর বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে।

আর্টিকেলটি পছন্দ হলে নিচে মন্তব্যের মাধ্যমে আপনার মতামত জানাবেন। আসলে আপনাদের মন্তব্য পেলে লিখতে উৎসাহ পাই।

আজ এখানেই থাক, পরবর্তী আর্টিকেল নিয়ে খুব তাড়াতাড়ি আপনাদের মাঝে হাজির হব। ততক্ষণ পর্যন্ত সবাই ভাল থাকবেন।

বর্তমানে যতগুলো ফ্রিল্যান্সিং সাইট রয়েছে, তার মধ্যে ওডেস্ক হচ্ছে সর্বাধিক জনপ্রিয় ও নির্ভরযোগ্য সাইট। সাইটটি  বায়ার ও ফ্রিল্যান্সার উভয়ের কাছেই সর্বাধিক জনপ্রিয়। ফলে বর্তমানে সাইটটিতে কাজ করছে প্রায় ১ লক্ষেরও উপরে ফ্রিল্যান্সার। সাইটটিতে ডাটা এন্ট্রি থেকে শুরু করে গ্রাফিক্স, ওয়েব ডিজাইন, আর্টিক্যাল রাইটিং, Seo, প্রোগ্রামিং ইত্যাদি হাজারো প্রকারের কাজ রয়েছে।

কেন সাইটটি জনপ্রিয় ও নির্ভরযোগ্য?
১. সাইটটিতে ‘নির্দ্দিষ্ট পরিমাণ মূল্য’ এবং ‘ঘন্টা হিসাবে মূল্য (Hourly job)’ উভয় প্রকার কাজ রয়েছে। তবে ঘন্টা হিসাবে কাজের জন্য ওডেস্ক বেশি জনপ্রিয়। এ পদ্ধতিতে ফ্রিল্যান্সাররা অন্য সাইট হতে তুলনামূলক বেশি অর্থ উপার্জন করতে পারে। এ সিস্টেমে ইন্টারনেটে উপস্থিত থেকে একটি বিশেষ সফটওয়্যারের (Teamviewer) মাধ্যমে ফ্রিল্যান্সারকে কাজ করতে হয়। এ সময় একজন ফ্রিল্যান্সার কি কাজ করছেন তার স্ক্রীনশট বায়ারের কাছে চলে যায়। ফলে বায়ার তার কাজের প্রতিনিয়ত আপডেট পেতে থাকে।

২. সাইটটিতে ফ্রিল্যান্সারদের জন্য রয়েছে বিভিন্ন ধরনের পরীক্ষা দেয়ার মাধ্যমে প্রোফাইল বিল্ডিং এর সুবিধা। ফলে সত্যিকার অর্থেই যারা নির্দ্দিষ্ট বিষয়ে দক্ষ তারা অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ও ভাল বাজেটের কাজ পেয়ে থাকে।

৩. অধিকাংশ কাজের ক্ষেত্রে এসক্রো সিস্টেমের (কাজের শুরুতেই বায়ার সাইটে টাকা জমা দিয়ে থাকে) কারনে ফ্রিল্যান্সারদের কাছে কাজ শেষে টাকা পাওয়ার ১০০% নিশ্চয়তা থাকে।

৪. যেহেতু এ সাইটে অন্যান্য সাইটের মত যে কেও বিড (আবেদন) করতে পারে না, অর্থাৎ, এ সাইটে কাজ করতে গেলে নুন্যতম রেডিনেস টেস্ট দিতে হয় এবং বিভিন্ন পরীক্ষায় অংশগ্রহনের মাধ্যমে ১০০% প্রোফাইল সম্পন্ন না হলে পর্যাপ্ত বিড করতে পারে না, এসব কারনে বায়ারদের কাছে অত্যন্ত নির্ভরযোগ্য সাইট এটি। ফলে বিশ্বে যতগুলো ফ্রিল্যান্সিং সাইট রয়েছে, তন্মধ্যে, ওডেস্কে সর্বাধিক কাজ জমা হয়। বড়ং বলা যায়, সবগুলো সাইটে যে পরিমাণ কাজ জমা হয়, শুধুমাত্র ওডেস্কেই সে পরিমাণ কাজ জমা হয়। ফলে, বাংলাদেশী ফ্রিল্যান্সারদের জন্য একটু সিরিয়াস হলেই এ সাইটে কাজ পাওয়া সম্ভব।

আশার কথা, বর্তমানে বাংলাদেশে যত ফ্রিল্যান্সার কাজ করছে তন্মধ্যে, ওডেস্কেই সর্বাধিক। তুলনামূলক কম রেট, বিশ্বস্ততা ইত্যাদি কারণে বাংলাদেশী ফ্রিল্যান্সাররা ভাল অবস্থানেই রয়েছে। ফ্রিল্যান্সিং-এ যারা নুতন তারা ওডেস্কে কাজের মাধ্যমে তাদের ফ্রিল্যান্সিং ক্যারিয়ার শুরু করতে পারেন। প্রথমদিকে কাজ পেতে কিছুটা বেগ পেতে হলেও প্রোফাইল ১০০% কমপ্লিট হলে এবং ধৈর্যের সাথে লেগে থাকলে অবশ্যই এ সাইটে সফলতা পাওয়া সম্ভব। অনেক বাংলাদেশী ফ্রিল্যান্সার রয়েছে, যারা শুরুতে কাজ পেতে কিছু বিলম্ব হলেও বর্তমানে টিম নিয়ে কাজ করছে। Odesk সাইটে বাংলাদেশী ফ্রিল্যান্সারদের প্রোফাইল দেখলেই বিষয়টি অনুধাবন করা যায়।

পেমেন্ট সিস্টেমঃ
পাইওনার ডেবিট কার্ড, মানিবুকার্স, ব্যাংকওয়্যার ট্রান্সফার ইত্যাদি বিভিন্ন পদ্ধতিতে Odesk সাইট থেকে বাংলাদেশে টাকা নিয়ে আসা যায়।

অনলাইনে উপার্জনের যতগুলো মাধ্যম রয়েছে, তন্মধ্যে ওয়েব সাইট ডিজাইন ও ডেভলপমেন্ট হচ্ছে সবচেয়ে চাহিদাপূর্ণ ক্ষেত্র। মূলতঃ সমগ্র বিশ্বের ছোট-বড় ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, ব্যক্তিগত, সামাজিক প্রায় সকলেই ক্রমশঃ ইন্টারনেটের দিকে ঝুকেঁ পড়ছে। সকলেই চাচ্ছে, তার একটি ভার্চুয়াল ঠিকানা হোক। ফলে এ সম্পর্কিত কাজের জন্য ওয়েব ডিজাইনের চাহিদা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। এ কারণে, ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটে যত ধরনের কাজ রয়েছে, তার মধ্যে ওয়েব সাইট ডিজাইন ও ডেভলপমেন্টের কাজই সর্বাধিক।

উপার্জনের ক্ষেত্রঃ
একজন প্রফেশনাল ওয়েব ডিজাইনার/ডেভলপারের কাজের ক্ষেত্র অনলাইনে এতটাই বিস্তৃত যে, ফ্রিল্যান্সিং এর বিশাল বাজেটের কাজ করে অর্থ উপার্জন করতে পারে, ব্লগিং করে উপার্জন করতে পারে, বিভিন্ন অনলাইন শপিং মার্কেটে নিজের তৈরিকৃত ডিজাইন জমা দিয়ে উপার্জন করতে পারে। এ ধরনের বহুমূখী উপার্জনের রাস্তা খুলে যায় একজন প্রফেশনাল ওয়েব ডিজাইনার/ডেভলপারের জন্য।
ব্লগিং সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন।

ওয়েব ডিজাইনের প্রকারভেদঃ

ওয়েব ডিজাইনকে আমরা ২ ভাগে ভাগ করতে পারি। স্ট্যাটিক ও ডাইনামিক। স্ট্যাটিক ওয়েব সাইট তৈরি করতে প্রয়োজন হয় Html, css, javascript, photoshop, ডাইনামিক ওয়েব সাইট তৈরিতে প্রয়োজন হয় Php/mysql. ডায়নামিক ওয়েব সাইট তৈরিতে বর্তমানে Cms (Content Managment System) ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে। Joomla ও WordPress  দুটি শক্তিশালী Cms. যার চাহিদা বর্তমানে অনলাইনে সবচাইতে বেশি। কারন, ওয়েবের ডাইনামিক ফিচারসমূহ এতে বিল্ট-ইন থাকে। অনেকটা রেডিমেড। চাহিদার দিক থেকে এর পরের অবস্থানে রয়েছে Php/mysql. এর পরে রয়েছে Html, css, javascript, photoshop এর অবস্থান।

শুধুমাত্র স্ট্যাটিক ওয়েব সাইট তৈরি জানলেই অনলাইনে মাসে ৫০০ থেকে ১০০০ ডলার উপার্জন সম্ভব। শর্ত হচ্ছে, আপনার সাইট তৈরির দক্ষতা যেন হয় প্রফেশনালমানের। ডাইনামিক ওয়েব সাইট, যেমন Php/mysql, Joomla, WordPress ইত্যাদিতে দক্ষ হলে মাসে ১০০০, ২০০০, ৩০০০ এমনকি ৫০,০০০ ডলার আয় করাও সম্ভব। অর্থাৎ, যে পরিমান দক্ষ ও ফ্রিল্যান্সিং এ যে পরিমান অভিজ্ঞতা হবে আয় তদানুযায়ী বৃদ্ধি পেতে থাকবে।

ওয়েব ডিজাইনে প্রফেশনালি দক্ষ হতে করনীয়
ওয়েব ডিজাইন ও ডেভলপমেন্ট যেহেতু ব্যাপক একটি বিষয়, তাই কিছু সময় নিয়ে এবং প্লান মত অগ্রসর হওয়া উচিৎ। এক্ষেত্রে, প্রথমেই স্ট্যাটিক ওয়েব সাইট তৈরির জন্য Html, css, javascript, jquery, photoshop ইত্যাদি শিখুন। মনে রাখতে হবে, কোথাও হতে ওয়েব ডিজাইনের উপর ২/৩ মাসের  একটি কোর্স করে আপনি প্রফেশনাল ওয়েব ডিজাইনার হয়ে গেছেন, তা কিন্তু নয়-বরং বেসিক কমান্ড শেখার পর তার উপর বিভিন্ন প্রজেক্ট প্র্যাকটিস করার মাধ্যমেই প্রফেশনালি দক্ষ হওয়া সম্ভব। এছারা, অনলাইনে বিভিন্ন ওয়েবসাইটের ডিজাইন দেখে অনুরুপ ডিজাইন তৈরির চেষ্টা করতে হবে। প্রফেশনালমানের কোয়ালিটি ডিজাইন বিক্রি করে এরকম অনেক সাইট রয়েছে, সেসব সাইটের ডিজাইন প্রিভিউ দেখে চেষ্টা করতে হবে-অনুরুপ ডিজাইন আপনি তৈরি করতে পারছেন কিনা। এরকম কিছু সাইট হচ্ছে,, প্রফেশনাল মানের ডিজাইন তৈরির বিভিন্ন টিউটোরিয়াল সাইট রয়েছে, সেসব সাইটের টিউটোরিয়াল প্রজেক্ট প্র্যাকটিস করতে থাকলে অবশ্যই আপনিও একজন কোয়ালিটি ওয়েব ডিজাইনার হতে পারবেন। ডাইনামিক ওয়েব সাইট তৈরি শেখার ক্ষেত্রেও একই পদ্ধতি অনুসরণ করুন।
স্ট্যাটিক ও ডাইনামিক ওয়েব সাইট তৈরির উপর আমাদের প্রকাশিত পূর্ণাংগ ও প্রজেক্টভিত্তিক ভিডিও লার্নিং সংগ্রহ করতে পারেন।
এছারা, Vip Member দের জন্য আমরা ওয়েব ডিজাইন ও ডেভলপমেন্টের উপর বিভিন্ন প্রফেশনালমানের প্রজেক্ট ভিআইপি সেকশনে দিয়েছি, যা অনুশীলনের মাধ্যমেও দ্রুত ওয়েব ডিজাইনে দক্ষ হওয়া সম্ভব।

আমরা অনেকেই শর্টকাট রাস্তায় উপার্জন করতে চাই, কিন্তু শর্টকাট রাস্তায় উপার্জনে  থাকে অনিশ্চয়তা এবং আয় হলেও পরিমানে স্বল্প। কিন্তু, কিছু সময় নিয়ে ধৈর্য ও পরিশ্রমের সাথে নিজেকে একজন প্রফেশনাল ওয়েব ডিজাইনার/ডেভলপার হিসাবে তৈরি করতে পারলে আপনাকে পিছনে ফিরে তাকাতে হবে না। আপনার অনলাইন আয় হবে সুনিশ্চিত, ক্যারিয়ার হবে উজ্জ্বল। সকলের সুস্বাস্থ্য ও কল্যান কামনা করে রাখছি।